জাতীয় সংগীত (অনুচ্ছেদ)

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - অনুচ্ছেদ | NCTB BOOK
6.8k
Summary

জাতীয় সংগীত রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত দেশের প্রতি প্রেম ও শ্রদ্ধার গান। এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সূচনা ও জাতীয় দিবসগুলোতে পরিবেশন করা হয়।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশে জাতীয় পতাকার সঙ্গে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
  • জাতীয় সংগীত পরিবেশনকালে সবাইকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, যা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতীক।
  • আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা নিজেদের দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম লাইন: 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।' এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। ১৯৭২ সালে ১৩ই জানুয়ারি এই গানটি জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায়। গানটিতে বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়েছে, যা দেশের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগায়।

জাতীয় সংগীত

রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত দেশপ্রেমমূলক গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সূচনায় বা জাতীয় দিবসসমূহ পালনের সময়ে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিদিন সকালের সমাবেশে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময়ে সমবেত সকলকে উঠে দাঁড়াতে হয়। এটা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সামিল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলা শুরুর আগেও প্রতিযোগীরা নিজ নিজ দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম লাইন: 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।' বাউল গানের সুরে গানটি রচনা করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গানটিকে জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। গানটির কথায় বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধরনের জাতীয় সংগীত দেশের মানুষকে নিজ দেশের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায়।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...